
বগুড়ার গাবতলী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা (এটিইও) সুভেন্দ্র সরকার এর বিরুদ্ধে জোরপূর্বক জমি দখল করে পৌরসভার প্লান ছাড়া স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। বাধা দিতে গেলে জমির মালিককে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হচ্ছে।
এ বিষয়ে সুভেন্দ্র সরকারকে বিবাদী করে জেলা শিক্ষা অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী আব্দুর রাজ্জাক।
লিখিত অভিযোগে ভুক্তভোগী জানান, বগুড়া সদর উপজেলার চকবৃন্দাবন মৌজার জেএল নং ৮১, সিএস খতিয়ান নং ৮২, খতিয়ান এম আর এল- ৯৪, নামজারি খতিয়ান ৩৫০ ও ৩৫১ খারিজী কেস নং- ৭৬৭৭(৯-১)২০২১-২২, হিসাব নং- ৪০০ ও খারিজী কেস নং- ৭৭১৫(৯-১)২০২১-২২, খারিজি হিসাব নং-৪০১ এবং দাগ নং- ১০ যা আব্দুর রাজ্জাক দিং নামে রেকর্ড হয়েছে।
তিনি আরও জানান, খারিজ বাতিলের জন্য কোর্টে মামলা দায়ের করেন শুভেন্দ্র সরকার। কোর্টে দায়েরকৃত মামলা নং ১৫১,১৫২ ও ১৫৩। উক্ত মামলায় রায় আদালত আমার পক্ষে বহাল রাখে এবং উক্ত সম্পত্তিতে আমি ভোগ দখল করিয়া আসিতেছি। উক্ত সম্পত্তি আমরা ২০০৭ সালে ক্রয় সূত্রে মালিক হইয়া দখল করিয়া আসিতেছি। বাদী আইন অমান্য করিয়া এবং আওয়ামী লীগ সরকারের ক্ষমতার প্রভাব দেখিয়ে জোরপূর্বক ভাবে ক্ষমতার জোরে আমার দখল করা জায়গায় স্থাপনা নির্মাণ করিতেছে।
আব্দুর রাজ্জাকের অভিযোগ, ভবন নির্মাণে বাধা দিতে গেলে সুভেন্দ্র সরকার আমাদেরকে বিভিন্ন ভাবে সন্ত্রাস বাহিনী দিয়ে হুমকি, ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন এবং প্রাণে মেরে ফেলার হুমকিও দিচ্ছে আমাদেরকে।
এ বিষয়ে বিবাদী সুভেন্দ্র সরকার বলেন, আমি যাদের থেকে জমি ক্রয় করেছি, সেখানে আব্দুর রাজ্জাক ও একই ওয়ারিশদের থেকে জমি ক্রয় করেছেন। আমিসহ নয় জনে ৮ শতাংশ জমি ক্রয় করি। আমারও খাজনা খারিজ আছে। আমি আমার জমিতে নির্মান কাজ করতেছি তাতে সমস্যা কোথায়। পরে পৌরসভা থেকে নোটিশ করেছে আমি কাজ বন্ধ রেখেছি।
এ বিষয়ে বগুড়া সদর থানার অফিসার ইনচার্জ এস.এম মঈনুদ্দিন জানান, গত ১৪ ই অক্টোবর জমিজমা সংক্রান্ত একটি লিখিত অভিযোগ হাতে পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এ বিষয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ রেজোয়ান হোসেন মুঠোফোনে সংবাদ দিনরাত কে জানান, এ ব্যাপারে বৃহস্পতিবার আবেদন পেয়েছি। আজ আবেদন ডকেট পুটআপ করতে বলছি। এরপর কি সিদ্ধান্ত হয় পরে জানাতে পারবো।
Posted ৫:১৯ অপরাহ্ণ | রবিবার, ২০ অক্টোবর ২০২৪
Sangbad Dinrat | Editor & Publisher


