সোমবার ২রা নভেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৭ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম
শিরোনাম

খোলা ময়লার গাড়ি

আমরা কি নাগরিকের অধিকারকে রাস্তায় ফেলে দিচ্ছি?

মো: তৈয়ব আলী খান   মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আমরা কি নাগরিকের অধিকারকে রাস্তায় ফেলে দিচ্ছি?

সকালের ব্যস্ত সময়। অফিসগামী মানুষ, শিক্ষার্থী, রোগী বহনকারী অ্যাম্বুলেন্স, রিকশা, বাস ও ব্যক্তিগত গাড়ি—সবাই ছুটছে নিজ নিজ গন্তব্যে। ঠিক সেই সময় ব্যস্ত সড়ক দিয়ে যাচ্ছে একটি ময়লার গাড়ি। গাড়িটি খোলা। চারদিকে ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ। বাতাসে উড়ছে ময়লার কণা। কখনো ঝরছে তরল বর্জ্য, কখনো প্লাস্টিক ও অন্যান্য হালকা বর্জ্য পড়ে থাকছে রাস্তায়।

পথচারীরা নাক-মুখ ঢেকে পাশ কাটিয়ে যাচ্ছেন। যানবাহনের জানালা বন্ধ করে দিচ্ছেন যাত্রীরা। অথচ এই গাড়িটিই এসেছে শহরকে পরিচ্ছন্ন করতে। তাহলে প্রশ্ন জাগে—ময়লা অপসারণ করতে গিয়ে আমরা কি আবার সেই ময়লাই মানুষের পথে ছড়িয়ে দিচ্ছি? এটি কি শুধু সামান্য অসুবিধা, নাকি এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে নাগরিক অধিকার, জনস্বাস্থ্য, পরিবেশ এবং প্রশাসনিক দায়িত্বের একটি বড় প্রশ্ন?

পরিচ্ছন্ন পরিবেশ কি নাগরিকের অধিকার নয়?
ময়লা সংগ্রহ ও অপসারণ একটি অপরিহার্য নাগরিক সেবা। একটি আধুনিক ও সভ্য নগরের জন্য কার্যকর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা অপরিহার্য। কিন্তু শুধু ময়লা সংগ্রহ করলেই দায়িত্ব শেষ হয় না; কীভাবে সেই ময়লা পরিবহন করা হচ্ছে, সেটিও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

বাংলাদেশের সংবিধানের ১৮ অনুচ্ছেদে জনস্বাস্থ্যের উন্নয়নকে রাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। একই সঙ্গে ১৮ক অনুচ্ছেদে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নাগরিকদের জন্য পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়নের বিষয়ে রাষ্ট্রের দায়িত্বের কথা বলা হয়েছে।

অতএব, পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশ কোনো বিলাসিতা নয়। এটি মানুষের সুস্থভাবে বেঁচে থাকা, নিরাপদে চলাচল এবং মর্যাদাপূর্ণ নাগরিক জীবনের সঙ্গে সম্পর্কিত।

বাংলাদেশের পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ পরিবেশ সংরক্ষণ, পরিবেশের মান উন্নয়ন এবং দূষণ নিয়ন্ত্রণ ও প্রশমনের জন্য আইনি কাঠামো প্রদান করেছে। অন্যদিকে কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিধিমালা, ২০২১ বর্জ্য সংগ্রহ, পৃথকীকরণ, পরিবহন ও ব্যবস্থাপনার একটি কাঠামো নির্ধারণ করেছে।

তাই বর্জ্য সংগ্রহ করাই শেষ কথা নয়। বর্জ্য পরিবহনের সময় যেন তা রাস্তায় পড়ে না যায় এবং মানুষের স্বাস্থ্য ও পরিবেশের ক্ষতি না করে—এটিও দায়িত্বশীল বর্জ্য ব্যবস্থাপনার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

অবশ্য কোনো নির্দিষ্ট ঘটনায় কোন আইন বা ধারা প্রযোজ্য হবে, তা সংশ্লিষ্ট ঘটনা, বর্জ্যের ধরন এবং স্থানীয় বিধিবিধানের ওপর নির্ভর করবে। তবে জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের ক্ষতি হলে আইনগত জবাবদিহির প্রশ্ন অবশ্যই উঠতে পারে।

খোলা ময়লার গাড়ি কেন উদ্বেগের কারণ?
একটি খোলা বা অপর্যাপ্তভাবে আবৃত ময়লার গাড়ি চলাচলের সময় বর্জ্য ছড়িয়ে পড়লে নানা ধরনের সমস্যা তৈরি হতে পারে।
দুর্গন্ধ মানুষের স্বাভাবিক চলাচল ও জীবনযাত্রাকে অস্বস্তিকর করে তোলে। তরল বর্জ্য রাস্তায় পড়ে পরিবেশ নোংরা করে। প্লাস্টিক ও হালকা বর্জ্য বাতাসে বা ড্রেনে গিয়ে জমতে পারে। ছড়িয়ে পড়া বর্জ্য মানুষের বর্জ্য ও জীবাণুর সংস্পর্শে আসার ঝুঁকি বাড়াতে পারে। পাশাপাশি রাস্তার সৌন্দর্য, পরিবেশের মান এবং নাগরিকদের স্বাচ্ছন্দ্যও নষ্ট হয়।

অর্থাৎ, ময়লা অপসারণের পদ্ধতিই যদি নতুন করে দূষণ ও জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করে, তাহলে সেই ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন তোলা নাগরিকের স্বাভাবিক অধিকার।

ইসলামের দৃষ্টিতে বিষয়টি আরও গভীর: ইসলাম শুধু ইবাদতের শিক্ষা দেয় না; মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য, পরিবেশ, নিরাপত্তা ও পারস্পরিক কল্যাণের প্রতিও গুরুত্ব দেয়।

রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক বস্তু সরিয়ে দেওয়া সদকা।—সহিহ বুখারি ও সহিহ মুসলিমে এ মর্মে হাদিস বর্ণিত হয়েছে।

এই হাদিস আমাদের একটি অসাধারণ নৈতিক শিক্ষা দেয়। রাস্তা থেকে মানুষের কষ্টের কারণ দূর করা যদি নেক কাজ হয়, তাহলে এমনভাবে ময়লা পরিবহন করা, যার ফলে সেই ময়লা আবার মানুষের চলার পথে পড়ে, দুর্গন্ধ ছড়ায় কিংবা মানুষের কষ্টের কারণ হয়—তা ইসলামের জনকল্যাণের চেতনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

পবিত্র কোরআনে আল্লাহ বলেন—
«“সংশোধনের পর পৃথিবীতে বিপর্যয় সৃষ্টি করো না।”
—সূরা আল-আ‘রাফ, ৭:৫৬»
অর্থাৎ ভালো উদ্দেশ্য থাকলেই দায়িত্ব সম্পূর্ণ হয় না; দায়িত্ব পালনের পদ্ধতিও হতে হবে ক্ষতিমুক্ত, পরিচ্ছন্ন ও কল্যাণকর।

এখানে পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের দোষারোপ করাই সমাধান নয়। বরং দেখতে হবে—তাঁদের কি যথাযথ গাড়ি দেওয়া হয়েছে? প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা সরঞ্জাম দেওয়া হয়েছে কি? পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ আছে কি? গাড়ির নকশা ও ব্যবস্থাপনা কি নিরাপদ?

যারা আমাদের শহর পরিষ্কার রাখেন, তাঁদের প্রতি সম্মান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও আমাদের দায়িত্ব।

দিনের ব্যস্ত সময়ে কেন?
আরেকটি বিষয় ভেবে দেখা দরকার—সড়কে যখন মানুষের চাপ ও যানবাহনের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি, তখন দুর্গন্ধযুক্ত ও উন্মুক্ত বর্জ্য পরিবহন কতটা যুক্তিসঙ্গত?

সব এলাকার বাস্তবতা এক নয়। কোথাও দিনের বেলায় পরিবহন করতেই হতে পারে। কিন্তু যেখানে সম্ভব, সেখানে যানজট ও জনসমাগমের সময় এড়িয়ে অপেক্ষাকৃত কম ব্যস্ত সময়ে বর্জ্য পরিবহনের ব্যবস্থা করা যেতে পারে।

প্রয়োজন হবে এলাকার বাস্তবতা, যানজট, বর্জ্যের ধরন এবং নিষ্পত্তি ব্যবস্থার ওপর ভিত্তি করে বৈজ্ঞানিকভাবে নির্ধারিত সময়সূচি ও রুট ব্যবস্থাপনা।

প্রশাসনের কাছে অগ্রাধিকারভিত্তিক কিছু বিনীত কিন্তু জরুরি প্রস্তাব:

১। নিরাপদ ও আবৃত বর্জ্য পরিবহন নিশ্চিত করতে হবে। খোলা বর্জ্যবাহী গাড়ির পরিবর্তে এমন যান ব্যবহার করতে হবে, যা যথাযথভাবে আবৃত ও লিকেজ-নিরোধী। চলাচলের সময় ময়লা, তরল বর্জ্য বা হালকা বর্জ্য যেন রাস্তায় না পড়ে—তা নিশ্চিত করতে হবে।

২। বর্জ্য পরিবহনের সময় ও রুট বৈজ্ঞানিকভাবে নির্ধারণ করতে হবে। যেখানে সম্ভব, অতিরিক্ত যানজট ও জনসমাগমের সময় এড়িয়ে বর্জ্য পরিবহনের ব্যবস্থা করতে হবে। এলাকার যানজট, জনঘনত্ব, স্কুল-হাসপাতালসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা এবং বর্জ্যের ধরন বিবেচনায় নিয়ে রুট নির্ধারণ করা প্রয়োজন।

৩। গাড়ির নিয়মিত পরিদর্শন ও রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে। গাড়ির বডি, ঢাকনা, ধারণক্ষমতা, লিকেজ, পরিচ্ছন্নতা এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়মিত পরীক্ষা করতে হবে। ত্রুটিপূর্ণ গাড়ি মেরামত না করে রাস্তায় নামানো উচিত নয়।

৪। রাস্তায় বর্জ্য পড়ে গেলে তাৎক্ষণিক পরিষ্কারের ব্যবস্থা রাখতে হবে। “গাড়ি চলে গেছে, দায়িত্ব শেষ”—এমন মানসিকতা পরিবর্তন করতে হবে। পরিবহনের সময় বর্জ্য পড়ে গেলে দ্রুত পরিষ্কার করার জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মী ও ব্যবস্থা থাকতে হবে।

৫। বর্জ্যের ধরন অনুযায়ী পৃথক ও নিরাপদ ব্যবস্থাপনা করতে হবে। গৃহস্থালি বর্জ্য, হাসপাতালের বর্জ্য, শিল্পবর্জ্য এবং ঝুঁকিপূর্ণ বর্জ্য একই পদ্ধতিতে পরিবহন করা নিরাপদ নয়। বর্জ্যের প্রকৃতি অনুযায়ী সংগ্রহ, পরিবহন ও নিষ্পত্তির ব্যবস্থা করতে হবে।

৬। নাগরিক অভিযোগের দ্রুত প্রতিকার ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। নাগরিক যেন সহজে অভিযোগ জানাতে পারেন, সে জন্য কার্যকর অভিযোগ ব্যবস্থা থাকতে হবে। অভিযোগ পাওয়ার পর কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়েও জবাবদিহি থাকা প্রয়োজন।

৭। সরকারি-বেসরকারি সব সেবাদাতার জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব যে সংস্থাই পালন করুক, পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের ক্ষতি হলে প্রযোজ্য আইন ও বিধিবিধান অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

৮। পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। গ্লাভস, মাস্ক, নিরাপত্তা পোশাক, উপযুক্ত জুতা, প্রশিক্ষণ এবং প্রয়োজনীয় সুরক্ষা সরঞ্জাম তাঁদের দিতে হবে। কারণ যাঁরা আমাদের শহরকে পরিচ্ছন্ন রাখেন, তাঁদের জীবন ও স্বাস্থ্যও সমান মূল্যবান।

শুধু প্রশাসন নয়, নাগরিকেরও দায়িত্ব আছে। আমরা প্রশাসনের কাছে জবাবদিহি চাইব, কিন্তু নিজেদের দায়িত্বও ভুলে গেলে চলবে না।
আমরা কি নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা ফেলছি?
আমরা কি যেখানে-সেখানে প্লাস্টিক ও খাবারের উচ্ছিষ্ট ফেলে দিচ্ছি?
আমরা কি ড্রেন ও জলপথকে ময়লার ভাগাড়ে পরিণত করছি?
আমরা কি পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের কাজকে যথাযথ সম্মান করছি?
একটি পরিচ্ছন্ন শহর শুধু সিটি করপোরেশন বা পৌরসভার দায়িত্ব নয়। এটি নাগরিক ও প্রশাসনের যৌথ দায়িত্ব।

নাগরিক ময়লা নির্দিষ্ট স্থানে রাখবেন, কর্তৃপক্ষ তা যথাযথভাবে সংগ্রহ করবে, নিরাপদে পরিবহন করবে এবং পরিবেশসম্মতভাবে নিষ্পত্তি করবে—এই পুরো প্রক্রিয়াটিই সঠিকভাবে পরিচালিত হতে হবে।

ময়লা সরাব, কিন্তু মানুষের পথে ময়লা ছড়াব না। আমরা ময়লার গাড়ি বন্ধ করতে চাই না। বরং চাই—ময়লা পরিবহনের ব্যবস্থা আরও আধুনিক, নিরাপদ, স্বাস্থ্যসম্মত ও পরিবেশবান্ধব হোক।

একটি শহরের সভ্যতা শুধু তার উঁচু ভবন, প্রশস্ত সড়ক কিংবা ঝকঝকে শপিংমল দিয়ে বিচার করা যায় না। একটি শহর কতটা সভ্য, তা বোঝা যায় তার রাস্তা, ড্রেন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং সাধারণ নাগরিকের স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও মর্যাদার প্রতি কর্তৃপক্ষ কতটা যত্নশীল—তা দিয়ে।

আমরা চাই—
ময়লা সংগ্রহ হবে।
ময়লা নিরাপদে পরিবহন হবে।
রাস্তায় ময়লা পড়বে না।
দুর্গন্ধ ও দূষণ কমবে।
পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা নিরাপদ থাকবেন।
নাগরিকের স্বাস্থ্য, অধিকার ও মর্যাদা রক্ষা হবে।

ইসলাম আমাদের শেখায় মানুষের কষ্ট দূর করতে। সংবিধান ও রাষ্ট্রীয় আইন আমাদের জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ রক্ষার দায়িত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। আধুনিক নগর ব্যবস্থাপনাও একই কথা বলে—বর্জ্য অপসারণ হতে হবে দায়িত্বশীল ও ক্ষতিমুক্ত পদ্ধতিতে।

তাই প্রশাসনের প্রতি আমাদের দাবি কঠোর হলেও বিনীত— «“ময়লা সরান, কিন্তু মানুষের অধিকারকে ময়লার সঙ্গে রাস্তায় ফেলে রাখবেন না।”»

এটি শুধু পরিচ্ছন্নতার দাবি নয়।
এটি জনস্বাস্থ্য রক্ষার দাবি।
এটি পরিবেশ সুরক্ষার দাবি।
এটি নাগরিক মর্যাদার দাবি।
এটি একটি সুস্থ, সভ্য, দায়িত্বশীল ও মানবিক নগরজীবনের দাবি।

লেখক: মো: তৈয়ব আলী খান

Facebook Comments Box

Posted ৬:২০ অপরাহ্ণ | মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

Sangbad Dinrat |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement

এ বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 ১২৩৪৫
৭৮৯১০১১১১৩
৪১৫১৬১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৯৩০  

উপদেষ্টা
শহিদুল ইসলাম সাগর
চেয়ারম্যান, বিটিইএ

প্রতিষ্ঠাতা
মাহমুদ স্বপন

বার্তা, ফিচার ও বিজ্ঞাপন:
+৮৮ ০১৩১৩ ৮৮ ৪৪ ৩৩
ইমেইল: sangbaddinrat@gmail.com

বাংলাদেশ অনলাইন নিউজ পোর্টাল এসোসিয়েশন কর্তৃক নিবন্ধিত।
তথ্য মন্ত্রণালয়ের বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদনকৃত।