
পিরোজপুরের কাউখালীতে দিন দিন বাড়ছে মালটা জাতীয় ফলের বাগান। লাভ ভালো থাকায় কৃষকদের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এই ফলের আবাদ। স্বাদ, ঘ্রান ও রং এর দিক থেকে বিদেশি কমলা থেকে কোন অংশে কম নয় বলে দাবি কৃষি অধিদপ্তরের। যে কারণে বাগানগুলো দেখতে দূর দূরান্ত থেকে অনেকেই ছুটে আসছেন।
এক সময় মালটা ফল দুর্লভ হলেও বর্তমানে অত্যন্ত জনপ্রিয় ফল মালটা। প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সমৃদ্ধ এ ফলে রয়েছে প্রচুর ঔষধি গুনাগুন। ভিটামিন সি ও বি ক্যালসিয়াম, চর্বি মুক্ত ক্যালরি, ফসফরাস সমৃদ্ধ রসালো ফল মালটা। বিশেষ করে জ্বর, ঠান্ডা জনিত কাশি, মাথাব্যথা সহ অনেক রোগ প্রতিরোধ করে এই মালটা।
কৃষি অধিদপ্তরের এস এস সি পি প্রজেক্টের আওতায় উপজেলার সদর ইউনিয়নের গান্ডতা গ্রামে মীর জিয়া ৭০ শতাংশ জমিতে কৃষি বিভাগের পরামর্শে উন্নত জাত বারি-১ মালটার প্রায় ৩০০টি চারা লাগান। তিনি মালটা চাষ করে বেশ লাভবান হয়েছে। এ বছর মন প্রতি ৩ হাজার ৫০০ টাকা থেকে ৪ হাজার ২০০ টাকা করে মালটা বাজারে বিক্রি করা হচ্ছে।
মালটা চাষী মীর জিয়া জানান , এখন পর্যন্ত ৭/৮ লক্ষ টাকার মালটা বিক্রি করা হয়েছে। বাগান থেকে আরো ৫ লক্ষ টাকা মালটা বিক্রি করা যাবে। গত বছর মালটার দাম কম থাকায় ৭ লক্ষ টাকার মালটা বিক্রি করেছি। তার বাগানের মালটা বড়, রসালো ও সুমিষ্টি।
উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা পবিত্র কুমার বলেন, মালটা বিক্রি করে উপজেলার চাষীরা বেশ লাভবান হচ্ছে। তাই অনেকেই মালটা চাষে আগ্রহী হচ্ছে।
উপজেলা কৃষি অফিসার সোমা রানী দাস বলেন, এ অঞ্চলের মাটি মালটা চাষের জন্য বেশ উপযোগী, মাটির গুনাগুন ভালো। এখানকার উৎপাদিত মালটা স্বাদ, ঘ্রান ও বেশ রসালো। গত বছর কাউখালীতে প্রায় তিনশত মেট্রিক টন মালটা উৎপাদন হয়েছে। মালটা কৃষকরা প্রায় তিন কোটি টাকার মালটা বিক্রি করেছে। এবছর ফলন ও দাম দুটোই ভালো থাকায় গত বছরে তুলনায় কৃষকরা আরো বেশি লাভবান হইবে। আমরা কৃষকদের সকল প্রকার সহযোগিতা করে যাচ্ছি।
Posted ২:২০ পূর্বাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫
Sangbad Dinrat | Editor & Publisher


