বৃহস্পতিবার ৪ঠা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম
শিরোনাম

ড্রাগন ফলের উপকারিতা—অপকারিতা

স.দি ডেস্ক রিপোর্ট   মঙ্গলবার, ১৯ আগস্ট ২০২৫
ড্রাগন ফলের উপকারিতা—অপকারিতা

ড্রাগন ফল। ছবি: সংগৃহীত

ড্রাগন ফলের জনপ্রিয়তা ক্রমেই বাড়ছে। নব্বইয়ের দশক থেকে বাণিজ্যিক ভাবে এই ফলের প্রচলন শুরু হয় এই দেশে। অনেকে একে ‘কমলম’ও বলেন। ভিটামিন, খনিজ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ এই ড্রাগন ফল হজমে সহায়তা করে। রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখার পাশাপাশি, ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এই ফল। অনন্য স্বাদ, আকর্ষণীয় রং এবং ভরপুর পুষ্টিগুণের কারণে অনেকেই প্রতিদিনের ডায়েটে এটি রাখেন। বর্তমানে বাংলাদেশে ড্রাগন ফলের চাহিদা বাড়ছে, তাই উৎপাদনও বাড়ছে।

তবে এর অসংখ্য উপকারিতা থাকলেও কিছু মানুষের জন্য এটি ক্ষতিকরও হতে পারে। তাই এই ফলের উপকারিতা এবং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দুটিই জানা জরুরি।

ড্রাগন ফলে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ফাইবার ও ম্যাগনেসিয়াম রয়েছে। এই উপাদানগুলো— শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, রক্তাল্পতা কমাতে সাহায্য করে (আয়রনের কারণে), হজমের সমস্যা দূর করে (ফাইবারের কারণে), ত্বক ও চুলের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে, শরীর থেকে টক্সিন বের করতে সাহায্য করে।

এই ফল শরীরে শক্তি জোগায়, এটা ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করে, ত্বককে উজ্জ্বল রাখে, ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য সহায়ক হতে পারে এই ফল। ফলে, অ্যান্টি-এজিং প্রভাব।

যাদের হজমের সমস্যা রয়েছে, তারা খালি পেটে ড্রাগন ফল না খাওয়াই ভালো। এতে পেট ফাঁপা, ডায়রিয়া বা অস্বস্তি হতে পারে। যাদের কিডনির সমস্যা রয়েছে, তাদের চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ড্রাগন ফল খাওয়া উচিত নয়। গর্ভবতী ও স্তন্যদানকারী মায়েদের নিয়মিত খাওয়ার আগে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত। অতিরিক্ত খাওয়ার ফলে পেট ব্যথা, বমি বমি ভাব বা অ্যালার্জির মত সমস্যা দেখা দিতে পারে।

প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য প্রতিদিন আধা মাঝারি আকারের ড্রাগন ফল (প্রায় ১০০-১৫০ গ্রাম) যথেষ্ট। শিশুদের জন্য ৫০-৭৫ গ্রাম পর্যন্ত খাওয়া নিরাপদ। যারা হজমে সমস্যা অনুভব করেন, তারা এটি দই বা অন্যান্য ফলের সঙ্গে মিশিয়ে খেতে পারেন। পর্যাপ্ত জল না খেলে অতিরিক্ত ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্যের কারণ হতে পারে, তাই ড্রাগন ফল খাওয়ার সময় জলপান জরুরি।

ড্রাগন ফল নিঃসন্দেহে একটি সুপারফ্রুট, তবে ‘অতিরিক্ত সবই ক্ষতিকর’, এই নিয়ম এখানে প্রযোজ্য। যারা কিডনির সমস্যা বা হজমজনিত সমস্যায় ভুগছেন, তাদের বিশেষ সতর্ক হয়ে এই ফল খেতে হবে। প্রতিদিন নির্দিষ্ট মাত্রায় খেলে এটি শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী হতে পারে বলেই বিশেষজ্ঞদের ধারণা।

Facebook Comments Box

Posted ১১:১৮ পূর্বাহ্ণ | মঙ্গলবার, ১৯ আগস্ট ২০২৫

Sangbad Dinrat |

advertisement
advertisement
advertisement

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

শনিরবিসোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্র
 
১০১১
১৩১৫১৬১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭৩০ 

উপদেষ্টা সম্পাদক
শহিদুল ইসলাম সাগর
চেয়ারম্যান, বিটিইএ

প্রতিষ্ঠাতা ও প্রকাশক
এম.টি.আই স্বপন মাহমুদ

বার্তা, ফিচার ও বিজ্ঞাপন:
+৮৮ ০১৩১৩ ৮৮ ৪৪ ৩৩
ইমেইল: sangbaddinrat@gmail.com

বাংলাদেশ অনলাইন নিউজ পোর্টাল এসোসিয়েশন কর্তৃক নিবন্ধিত।
তথ্য মন্ত্রণালয়ের বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদনকৃত।
error: Content is protected !!